যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে এবং হাজার হাজার মানুষের বসত বাড়ীঘর, আবাদী জমি, চলাচলের রাস্তা, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ এবং অনেক সরকারী স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়া থেকে রক্ষার জন্য যমুনা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধের আহবান জানান “আমরা নদী রক্ষা কমিটি টাঙ্গাইল”নামের এক সংগঠন।
এ নিয়ে গত ৩০ নভেম্বর, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক বরাবর এক আবেদন করেন, আমরা নদী রক্ষা কমিটির আহবায়ক মোঃ ইসমাইল হোসেন আবদার।
এছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বালু উত্তোলন না করার বিষয়টি অবগত করেন তিনি।
আবেদনে ইসমাইল হোসেন আবদার উল্লেখ করেন, টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলাধীন কাকুয়া ইউনিয়নের অর্ন্তগত জাঙ্গালীয়া ও কলাবাগান এলাকা হইতে নিয়মবর্হিভূত ভাবে বালু উত্তোলনের জন্য দুটি লোড ড্রেজার স্থাপন করিয়াছে এবং বালু উত্তোলনের অনুমতির জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়তারা করিতেছে যাহা মাটি ব্যবস্থাপনার পরিপন্থি।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, অশুভ চক্রকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দিলে হাজার হাজার মানুষের বসত বাড়ীঘর, আবাদী জমি, চলাচলের রাস্তা, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ এবং অনেক সরকারী স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হইয়া যাইবে এবং যমুনা নদীতে দুটি জাতীয় সম্পদ রয়েছে যেমন,যমুনা বহুমুখী সেতু ও যমুনা রেলসেতু তা হুমকির সম্মুখিন হইয়া পড়িবে,
এমনকি বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
এলাকার সাধারন মানুষের প্রতি সুদৃষ্টি রাখিয়া উল্লেখিত স্থান সূমহে জনস্বার্থে ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার্তে বালু উত্তোলনের অনুমতি না দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন জানান।
এছাড়াও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য হইল।মাননীয়, উপদেষ্টা, নৌ-পরিবহণ মন্ত্রাণালয়,মাননীয়, উপদেষ্টা, বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, মন্ত্রাণালয়,মাননীয় সচিব, ভূমি মন্ত্রাণালয়,বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা। পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল,নৌ-পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল,পরিচালক, (প্রশাসন ও মানব সম্পদ),বাংলাদেশ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, টাঙ্গাইল।সহকারী কমিশনার (ভূমি), সদর, টাঙ্গাইল,সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে অনুলিপি প্রেরন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















