বাংলাদেশ যেন আন্দোলনের দেশ। আর আন্দোলনের প্রধান অনুষঙ্গ সড়ক অবরোধ। চাকরি, শিক্ষা, প্রশাসনিক বৈষম্যসহ যে দাবিই থাকুন না কেন, সবার আগে সড়ক অবরোধ করা হয়। যার ভুক্তভোগী হয় সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতিও।
দীর্ঘদিন ধরেই রাজধানী যেন পরিণত হয়েছে দাবি আদায়ের নগরীতে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, শুধু ঢাকায় ছয় মাসে অন্তত ১৩৬টি ও এক বছরে পাঁচ শতাধিক ছোট-বড় বিক্ষোভ হয়েছে।
আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলনে নামার আগে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন অনেকেই।
এসব আন্দোলনে আহত হয়েছে অনেকেই। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সড়ক অবরোধ করে রাখায় ব্যাহত হয়েছে অফিস আদালতের কার্যক্রম, বন্ধ থেকেছে স্কুল-কলেজ। দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েছে অ্যাম্বুলেন্সও। খেটে খাওয়া মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে আরও অনিশ্চিত।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিজিটিং ফেলো অধ্যাপক মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই রাজধানী যেন পরিণত হয়েছে দাবি আদায়ের নগরীতে। আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে দাবি আদায়ের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক উদ্যোগ আর নীতি সংস্কার আরও কার্যকর সমাধান।
নগর পরিকল্পনাবিদ ফজলে রেজা সুমন বলেন, বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি এড়াতে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়া উচিত। এ ছাড়া যে কোনো আন্দোলনের জন্য স্থান নির্ধারিত করাও জরুরি।
অনলাইন ডেস্ক 







