Dhaka রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​মানহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্যপণ্য: ৪ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের অংশ হিসেবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানহীন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অপরাধে ৪টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। আদালত মামলাগুলো আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।


গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ‘জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগার’-এর ল্যাব টেস্ট রিপোর্টে কয়েকটি খাদ্যপণ্য নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়। এর প্রেক্ষিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬, ২৭, ৩৯ ও ৪১ ধারা অনুযায়ী ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২-এ চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

​ বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে আদালতের বিচারক (ঢাকা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জনাব মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

​মামলাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও খাদ্যপণ্যসমূহ হলো:
• ​বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লি.-এর উৎপাদিত ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা (ইনট্যাক্ট)’।
• ​বিদেশি প্রতিষ্ঠান আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেড-এর উৎপাদিত ‘আর বোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।
• ​বনশ্রীর ‘কাচ্চি সুলতান’ রেস্টুরেন্টের বাজারজাতকৃত ‘বোরহানী’।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

​জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

babu babu

কামরাঙ্গীরচরে হাজারো নাগরিকের প্লাস্টিক জমা দিয়ে কেনাকাটা

​মানহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্যপণ্য: ৪ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

Update Time : ০২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের অংশ হিসেবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানহীন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অপরাধে ৪টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। আদালত মামলাগুলো আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।


গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ‘জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগার’-এর ল্যাব টেস্ট রিপোর্টে কয়েকটি খাদ্যপণ্য নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়। এর প্রেক্ষিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬, ২৭, ৩৯ ও ৪১ ধারা অনুযায়ী ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২-এ চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

​ বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে আদালতের বিচারক (ঢাকা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জনাব মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

​মামলাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও খাদ্যপণ্যসমূহ হলো:
• ​বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লি.-এর উৎপাদিত ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা (ইনট্যাক্ট)’।
• ​বিদেশি প্রতিষ্ঠান আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেড-এর উৎপাদিত ‘আর বোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।
• ​বনশ্রীর ‘কাচ্চি সুলতান’ রেস্টুরেন্টের বাজারজাতকৃত ‘বোরহানী’।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

​জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা চলমান থাকবে।